Wednesday, 7 February 2018

অনুপ্রেরনার আরেক নাম Fahim Ul Karim



অনুপ্রেরনার আরেক নাম Fahim Ul Karim
ছবিটি দেখেই অনুমান করতে পারবেন তিনি কতটা যুদ্ধ করে এই পজিশনে এসেছেন । তিনি কিভাবে ফ্রীলান্সিং শিখলেন তিনি কিভাবে শিখে গেলেন "ফ্রীলান্সিং" নামক কঠিন পথে দৌড় দিতে ।
এই ছেলেটা মাত্র ১৯ বছর বয়সে Upwork এর "Top Rated" এবং Fiverr এর "Level 2" ব্যাজ ধারী একজন ফ্রিল্যান্সার। তাকে যে কি পরিমাণ সংগ্রাম করে জীবনযুদ্ধ চালিয়ে তাকে এই পজিশনে আসতে হয়েছে। মাত্র ক্লাস ৮ পর্যন্ত পড়াশুনা করার সুযোগ হয়েছিল। তারপরও থেমে থাকেনি এই মানুষটি, নিজের চেষ্টায় পেয়েছেন সফলতা।

 
গুগল ও ইউটিউব ঘেটে ডেভেলপ করেছেন নিজের স্কিল। যখন যা শিখার প্রয়োজন হয়, শিখে নেন নিজের চেষ্টায় গুগল বা ইউটিউব এর সাহায্যে নিয়ে। আপনার আমার মত লক্ষ লক্ষ যুবক যখন পড়ালেখা শেষ করে 15000/20000 টাকার চাকরির জন্য পাগলের মত ঘুরছি তখন আমাদের 19 বছরের ভাই Fahim Ul Karim হুইল চেয়ারে বসে লাক্ষ টাকা ইনকাম করে আমাদের বিকেক কে নাড়া দিয়ে বলছে শুধু সার্টিফিকেট নয় যোগ্যতা থাকলে আমার মত সল্প শিক্ষিতরা ও জীবন যুদ্ধে সফল হতে পারে।
ফাহিম উল কারিম নামের এই ছেলেটি আমাদের অনুপ্রেরণা 💓💓
আমরা গর্বিত ওনার মত ডেটিকেডেট ফ্রিল্যান্সারকে নিয়ে, শারীরিক বাধা কে অতিক্রম করে এগিয়ে চলেছে দুর্বার গতিতে।এরকম মনের জোর হয়তো অনেক অনেক সুস্থ মানুষেরও নেই।
আমরা গর্বিত এমন একজন সহকর্মী পেয়ে! হয়ত এই গ্রুপ এর সদস্য ছাড়া অনেকেই জানে না যে তিনি ৬৩,০০০ সদস্যের গ্রুপের একজন দায়িত্ববান এডমিন! আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে তার নিকট হতে! মহান আল্লাহ তার মনের ইচ্ছা পূরন করুন!
আমাদের সবার পক্ষ থেকে Fahim Ul Karim কে প্রানঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন <3<3 রইল

Sunday, 4 February 2018

তাবলিগ জামাতকে বিভক্তি থেকে রক্ষা করুন।


তাবলিগ জামাতকে বিভক্তি থেকে রক্ষা করুন।
তাবলিগ জামাতকে বিভক্তি থেকে রক্ষা করুন।
সাইয়েদ সালমান হোসাইনী নদভী
দাওয়াত ও তাবলিগ সব নবী-রাসুলের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ছিল। তাদের দাওয়াত ছিল তাওহিদে খালেস, রেসালতের প্রকৃতি এবং আখেরাতে ঈমান এই তিন ভিত্তির ওপর। তবে তাদের কাজের ধরনে ভিন্নতা ছিল। প্রিয়নবী সা. হলেন শেষ নবী এবং সর্বযুগের নবী। গোটা মানবতা তাঁর উম্মত। যারা দাওয়াত কবুল করেছে এবং অনুসারীদের তালিকায় যারা অন্তর্ভুক্ত তাদেরকে ‘উম্মতে এজাবত’ বলা হয়। আর যাদের মধ্যে কাজ চলে তাদেরকে বলা হয় ‘উম্মতে দাওয়াত’।
রাসুল সা. মক্কা মোকাররমায় তের বছর সব শ্রেণি, পেশা, গোত্র ও ধর্মের মানুষদেরকে দ্বীনের পথে দাওয়াত দিয়েছেন। সেই দাওয়াতের ভিত্তি ছিল কুরআনে কারিমের আয়াত ‘আপন পালনকর্তার পথের প্রতি আহ্বান করুন জ্ঞানের কথা বুঝিয়ে ও উপদেশ শুনিয়ে উত্তমরূপে এবং তাদের সঙ্গে বিতর্ক করুন পছন্দযুক্ত পন্থায়’। মদিনায় হিজরতের পর যে বিধানের দিকে দাওয়াত দিচ্ছিলেন তা বাস্তবায়ন শুরু করলেন। যা একটি পূর্ণাঙ্গ ও গোছালো আকারে বাস্তবে রূপ নেয়। এই স্তরে এসে দাওয়াতের সঙ্গে বিজয়ের কাজও শুরু হয়ে যায়। যার ফলে ১০ বছরে ১০ লাখ বর্গমাইল এলাকা অর্থাৎ পুরো জাজিরাতুল আরব বিজয় হয়ে যায়। বিশ্বব্যাপী এই মিশনকে ছড়িয়ে দিতেই রাসূল সা. জীবনের শেষ মুহূর্তেও ‘উসামা বাহিনী’কে পাঠানোর প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। সিদ্দিকে আকবর রা. খেলাফতে অধিষ্ঠিত হয়েই সেই বাহিনী পাঠিয়ে দেন। পরবর্তী সময়ে খেলাফতে রাশেদীনের আমলে এই ধারা অব্যাহত থাকে। এমনকি তিন চার শতাব্দী পর্যন্ত ইসলামের বিজয়ের এই ধারা চলতে থাকে।
রাসূল সা. পর্যন্ত এসে নবুওয়াতের ধারার সমাপ্তি হয়েছে। তিনি ভবিষ্যৎবাণী করে গেছেন, পরবর্তী শতকগুলোতে মুজাহিদ, মুসলেহ, দা’য়ী ও মুবাল্লিগরা নবওয়াতি কাজ আঞ্জাম দেবেন। বিগত চৌদ্দশ বছরে যত সংস্কার ও সংশোধনমূলক আন্দোলন হয়েছে মূলত সবগুলোই নবুওয়াতি কাজের অংশ। তবে আগেকার নবী-রাসূলদের যেমন এলাকা ও সময়কাল নির্ধারিত ছিল ওলামায়ে উম্মতের ক্ষেত্রেও তেমনি। তাদেরও সময়কাল ও খেদমতের গ-ি ভিন্ন ভিন্ন। নবী-রাসূলদের দাওয়াতের মৌলিক ভিত্তি যেমন অভিন্ন ছিল, তবে তাদের কাজের ধরন ও কর্মপদ্ধতিতে ভিন্নতা ছিল, তেমনি তা আলেমদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ. এই বিষয়টির প্রতি খুবই গুরুত্ব দিতেন। কোনো দল বা গোষ্ঠীর কাজকে একমাত্র ও চূড়ান্ত ইসলাম সাব্যস্ত করতে মানা করতেন। এই উদ্দেশ্য সামনে নিয়েই তিনি লক্ষ্মৌ’র তাবলিগি মারকাজে বিগত শতকের ৪০ থেকে ৫০ সালের মধ্যবর্তী সময় ‘তারিখে দাওয়াত ও আজিমত’ (সংগ্রামী সাধকদের ইতিহাস) এই বিষয়ে বক্তব্য দিতে থাকেন। এই নামে কিতাবও বেরিয়েছে। এর প্রথম খ-ে হযরত আবু বকর সিদ্দিক রা. থেকে মাওলানা জালালুদ্দিন রুমী পর্যন্ত মুজাদ্দিদ ও মুসলিহীনদের জীবন ও অবদান স্থান পেয়েছে। দ্বিতীয় খ-ে ইমাম ইবনে তাইমিয়ার সংস্কারমূলক কার্যক্রম, তৃতীয় খ-ে হযরত মুজাদ্দিদে আলফেসানীর সংস্কার আন্দোলন এবং চতুর্থ খ-ে শাহ ওয়ালীউল্লাহ রহ.-এর সংস্কারমূলক কার্যক্রমের কথা স্থান পেয়েছে। এর পরের দুই খ-ে হযরত সাইয়েদ আহমদ শহীদ রহ.-এর ইসলাহী আন্দোলনের বিবরণ পেশ করেছেন। সাইয়েদ শহীদ রহ.-এর আন্দোলনের পর তাঁর খলিফা ও অনুসারীদের মধ্যে হযরত মাওলানা ফজলুর রহমান গঞ্জেমুরাদাবাদী এবং হযরত মাওলানা সাইয়েদ মুহাম্মদ আলী মুঙ্গেরী রহ.-এর সংশোধন ও সংস্কারমূলক কার্যক্রমের ওপর কিতাব লিখেছেন। এরপরে চৌদ্দ হিজরী শতকের এক মহান সংস্কারক মাওলানা মুহাম্মদ ইলিয়াস রহ. এবং এই শতকেরই অন্যান্য সংস্কারক মাওলানা আবদুল কাদের রায়পুুরী, মাওলানা মুহাম্মদ যাকারিয়া কান্ধলবী এবং মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ কান্ধলবী রহ.-এর জীবন ও খেদমতের ওপর তিনি নিজে কিতাব লিখেছেন অথবা অন্য কাউকে দিয়ে লিখিয়েছেন। এই শতাব্দীর সংস্কারকদের মধ্যে মাওলানা আশরাফ আলী থানভী এবং মাওলানা হোসাইন আহমদ মাদানী রহ.-এর জীবন ও খেদমতের ওপর কিতাবও প্রকাশিত হয়েছে।
এই মনীষীরা সংস্কার ও সংশোধন আন্দোলনের অনেক বড় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। যাঁদের খেদমত উপমহাদেশ ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে। একটি বিষয় স্পষ্ট, মৌর্লিক বিষয়ে ঐকমত্য থাকার পরও তাদের কাজের ধরন এবং কর্মপদ্ধতিতে পার্থক্য রয়েছে। উম্মতের প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে তাঁরা পৃথক পৃথক পদ্ধতি অবলম্বন করেছেন। তাঁরা মূলত ইসলামের বিস্তৃত গ-িতে নানা শাখায় খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন।
হযরত মাওলানা ইলিয়াস রহ. দ্বীনের ব্যাপারে গাফিলতি, অজ্ঞতা এবং বিক্ষিপ্ততার যুগে দ্বীনের প্রকৃতি, ইবাদতের গুরুত্ব, দ্বীনের সেবা এবং প্রাথমিক দ্বীনি প্রয়োজন পূরণের আন্দোলন শুরু করেন। ঘর থেকে বেরিয়ে উম্মতের কাছে গিয়ে কালেমায়ে তাইয়েবার প্রকৃতির দিকে দাওয়াতের যে ধারা তিনি সূচনা করেন তা অবিশ্বাস্য গতিতে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে। মৌলিকভাবে এটা ছিল দ্বীনের স্তম্ভগুলো প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। যাকে ইলিয়াস রহ. দ্বীনের ‘আলিফ বা তা’ তথা প্রাথমিক শিক্ষা হিসেবে গণ্য করতেন। (দেখুন মালফুজাতে ইলিয়াস, পৃষ্ঠা ২৬) অর্থাৎ এটা হলো দ্বীনের একদম সূচনা পর্বের পাঠ্য। যাতে মাসায়েলের ওপর নয় বরং ফাজায়েলের ওপর জোর দেয়া হয়েছে। এটা ছিল মূলত একটি প্রেরণামূলক আন্দোলন, যা শুরু হয়েছিল ক্রমান্বয়ে দ্বীন প্রতিষ্ঠার সূচনাপর্ব হিসেবে। (দেখুন মালফুজাতে ইলিয়াস, পৃষ্ঠা ৩২ ও ৪৩)
এই আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা এজন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে, এই প্লাটফর্ম থেকে দ্বীনের ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত দেয়া যাবে না, এটা নির্ধারণ করবেন ওলামায়ে কেরাম। এই আন্দোলনের কর্মীরা ওলামায়ে কেরামের দরবারে হাজির হবেন। কারগুজারি শোনাবেন এবং তাদের দুআ নেবেন। কোনো দল, সংগঠন, প্রতিষ্ঠান, গোষ্ঠী ও শ্রেণি সম্পর্কে বিদ্বেষ পোষণ করবেন না। এই বিষয়টি মাওলানা মুহাম্মদ ইউসুফ রহ. অত্যন্ত জোরালোভাবে মেনে চলার প্রতি তাগিদ দিতেন। তাঁর কাছে ‘আমরা’ আর ‘ওরা’ এবং ‘নিজ’ ও ‘পর’ বলে কিছু ছিল না। উম্মাহর ঐক্যের ব্যাপারে এক নিরসল দা’য়ী ছিলেন তিনি।
তাবলিগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা ইলিয়াস রহ. যদিও ভাতিজা হযরত মাওলানা মুহাম্মদ জাকারিয়া রহ. দ্বারা ফাজায়েলে আমালের মতো কিতাব লিখিয়েছেন তবুও এই আন্দোলনের উদ্দেশ্য এবং ইসলামী নেজামের প্রস্তুতি সম্পর্কে বলেছেন, ‘হযরত মাওলান আশরাফ আলী থানভী অনেক বড় কাজ করেছেন। আমার মন চায় তালিম হবে তাঁর এবং তাবলিগের পদ্ধতি হবে আমার।’ (মালফুজাতে মুহাম্মদ ইলিয়াস, পৃষ্ঠা ৪৬)
হযরত শাহ ওয়ালীউল্লাহ মুহাদ্দিসে দেহলবী রহ.-এর পরে চৌদ্দ হিজরী শতকের মুজাদ্দিদ হলেন হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহ.। মাওলানা আব্দুল বারী নদভী তাঁকে ‘জামিউল মুজাদ্দিদীন’ উপাধিতে ভুষিত করেছেন। তিনি লিখেছেন, এটা একটি ঐতিহাসিক ভুল এবং এর পেছনে অনেক বিচ্ছিন্ন কারণ আছে যে, তাবলিগ জামাত হযরত থানভী রহ.-এর কিতাবগুলোকে তাদের নেসাব বা পাঠ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করেনি। অথচ ফাজায়েলের প্রাথমিক প্রয়োজনের পর ইসলামের বিস্তৃত আঙিনায় ইবাদত, লেনদেন, আখলাক, সামাজিকতা, রাজনীতি, রাষ্ট্রব্যবস্থা এগুলো কুরআন-সুন্নাহর আলোকে অনেক বেশি প্রয়োজনীয়।
হযরত মাওলানা ইলিয়াস রহ.-এর ওসিয়ত ছিল হযরত থানভী রহ., মাওলানা ইহতিশামুল হাসান কান্ধলবী, মাওলানা মনজুর নোমানী, মাওলানা সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী এবং হযরত মুফতী মুহাম্মদ শফী রহ.-এর কিতাবাদি তাবলিগের নেসাবের অন্তর্ভুক্ত হবে। যদি প্রতিষ্ঠাতার নির্দেশনা মতো কাজ হতো তাহলে তাবলিগ জামাত আজ সঙ্কীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গি, চিন্তার সীমাবদ্ধতা এবং প্রাথমিক শিক্ষার গ-িতে ঘুরপাক খেতো না। উম্মতের সব স্তরের মানুষের জন্য এটি একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ লাভ করতো। এর মধ্যেই চৌদ্দ ও পনের হিজরি শতকের সব সংস্কার আন্দোলন একত্রিত হয়ে যেতো। কিন্তু আফসোস, অনেক আকাক্সক্ষাই আজ মাটি!
হযরত মাওলানা আলী মিয়া নদভী রহ. ১৯৪০ সালে তাবলিগ জামাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। তিনি শুধু উপমহাদেশেই নয় আরব বিশ্বে পর্যন্ত তাবলিগের মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করেন। আরব বিশ্বে মূলত তাবলিগের পরিচিতি তাঁর মাধ্যমেই হয়েছে। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে নির্বিঘেœ এই কাজ করার পরিবেশ কায়েম করতে তিনি বিশেষ ভূমিকা রেখেছেন। তবে ১৯৪৭ সালে ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে যাওয়ার পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তিনি তাবলিগ জামাতের কাজকে যথেষ্ট মনে করলেন না। তিনি মজলিসে মুশাওয়ারাত, পয়ামে ইনসানিয়ত এসব সংগঠন প্রতিষ্ঠা, দ্বীনি তালিম, লাইব্রেরি প্রতিষ্ঠা এবং ইসলামী সাহিত্যের প্রয়োজন জোরালোভাবে অনুভব করলেন। এই ময়দানেই নিজেকে সর্বতোভাবে সমর্পণ করেন।
জীবনভর তাবলিগ জামাতের ব্যাপারে সাইয়েদ আবুল হাসান আলী নদভী রহ.-এর এই অভিযোগ ছিল যে, তারা দ্বীনি বইপুস্তকের প্রতি তেমন মনোযোগ দেয় না। জীবনের শেষ দিকে তিনি তাবলিগ জামাতের বিভিন্ন জলসায় অংশগ্রহণ ও তাতে বয়ান দেয়া থেকে বিরত থাকতেন। কারণ তিনি যেসব বিষয়ে জোর দিতেন তাবলিগের হালকা তা হজম করতে পারতো না। তিনি হযরত মাওলানা এনামুল হাসান রহ.-এর কাছে এসব বিষয়ে অভিযোগ-অনুযোগ পেশ করতেন আর এনামুল হাসান রহ. তা মনোযোগ সহকারে শুনতেন। এ সম্পর্কিত বিস্তারিত আলোচনা ‘কারওয়ানে জিন্দেগি’ ও অন্যান্য কিতাবে রয়েছে।
তাবলিগ জামাত হযরত মাওলানা ইউসুফ কান্ধলবী রহ.-এর যুগে সত্যিকার অর্থে একটি বিপ্লব ছিল। তখন এর বিস্তৃতি ব্যক্তির পাশাপাশি বিষয়ের মধ্যেও হচ্ছিল। পরে হযরত মাওলানা এনামুল হাসান কান্ধলবী রহ.-এর যুগে ভৌগোলিকভাবে ও ব্যক্তি পর্যায়ে কাজের বিস্তৃতি ঘটেছে, যদিও ইলমি দিকটি আবদ্ধ ছিল। তবে ওলামায়ে কেরামের মধ্যে বেশ গ্রহণযোগ্যতা ছিল এবং আমিরের বিষয়টিও বলিষ্ঠভাবে কার্যকর ছিল। কিন্তু এরপর কাউকেই আর আমির হওয়ার মতো ‘যোগ্য’ পাওয়া যায়নি। তখন থেকে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে শূরার ভিত্তিতে। এতে ‘আমির’ এর কোনো অস্তিত্ব নেই। এতে ইলমি ও চিন্তাগত দিক থেকে যদিও কোনো মতবিরোধ সৃষ্টি হয়নি তবে ব্যবস্থাপনাগত বিষয়ে ঐক্যবদ্ধতার যে প্রাণ তা অনুপস্থিত থাকে।
আমিরের ধারা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর শুরু হলো ‘চাপিয়ে দেয়া আমিরির’ যুগ। ইলম ও চিন্তাগত যে গভীরতা ছিল তা আর বাকি থাকেনি। কাজের পরিধি বিস্তৃতি আর লোকসংখ্যা বাড়ার ওপর নির্ভরতা বেড়ে যায়। শুধু জামাতের নেজামের ওপর জোর দেয়া হয়; অন্য সব কাজ, দল, সংগঠন এবং সংশোধন ও সংস্কারমূলক কাজকে অস্বীকারের প্রবণতা শুরু হয়। ইসলামী কানুন প্রতিষ্ঠা এবং উম্মাহর প্রতি বোধের প্রয়োজনীয়তা বেমালুম ভুলে যায়। বরং সরাসরি এসবের বিরোধিতা করতে থাকেন এর সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। অথচ সময়টি ছিল আলেম-ওলামাকে সঙ্গে নিয়ে চলার। সমসাময়িক বিশিষ্ট আলেমদেরকে এই কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য তা হয়নি।
ইলম ও চিন্তার স্থবিরতা, সোনালী অতীত সম্পর্কে অজ্ঞতা অথবা তা স্বীকার না করা, বিভিন্ন সময়ে সংস্কার ও সংশোধনমূলক কর্মকা- ও কার্যকারণ সম্পর্কে উদাসীনতা, ঐকমত্যের ভিত্তিতে আমির নির্বাচন না হওয়া এই মহান কাজ ও আন্দোলনকে এমন পর্যায়ে এনে দাঁড় করিয়েছে এখন চোখে শুধু ভাসছে পতনের বেলাভূমি। ‘বুনিয়াদি নীতিমালা অনুসরণে ত্রুটি হলে এই জামাত একটি ফেরকায় পরিণত হবে’ হযরত ইলিয়াস রহ. যে শঙ্কার কথা বলেছিলেন আজ মনে হচ্ছে সে দিকেই যাচ্ছে তাবলিগ জামাত।
এই তিক্ত ইতিহাস ও রুঢ় বাস্তবতা সচক্ষে দেখে থাকলে হযরত মুঈনুদ্দীন চিশতি, হযরত নিজামুদ্দীন আওলিয়া, হযরত মুজাদ্দিদে সেরহিন্দি, হযরত শাহ আবদুল কুদ্দুস গাঙ্গুহী, হযরত শাহ সাবের, হযরত আবদুল হক রুদলভী এ ধরনের আরও কত সংস্কারক ও মুজাদ্দিদের মারকাজগুলোর দিকে একটু নজর দিন। এটা মনে করবেন না, আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনাদেরকে কোনো ‘গ্যারান্টি’ লিখে দেয়া হয়েছে। বিগত ৫০ বছর ধরে যারা এই তাবলিগ জামাতের সঙ্গে জড়িত আছেন তাদের প্রতি করজোড়ে অনুরোধ জানাই, একসঙ্গে বসুন। দ্রুত পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করুন। এ ধরনের একটি সম্ভাবনাময় বিশ্বব্যাপী প্রসারিত আন্দোলনকে নির্ঘাত ক্ষতির মুখ থেকে রক্ষা করুন।
#মাহফুজুর রহমান

আরো একটি নববী আদর্শ কে জিন্দা করলেন আল্লামা আহমদ শফি দাঃবাঃ ও নানুপুরী হুজুর


আরো একটি নববী আদর্শ কে জিন্দা করলেন আল্লামা আহমদ শফি দাঃবাঃ ও নানুপুরী হুজুর
যারা ইসলামের বিরুধীতা করে তাদেরকে দ্বীনের দরদে কাছে না টানলে কিংবা তারা আসতে চাইলে সুযোগ না দিলে ,তারা আরো দূরে যেতে থাকবে, দূরে যেতে যেতে হয়ে উঠবে আরো জগন্য ইসলাম বিদ্বেষী, যা কখনও কাম্য নয় ৷ ক্ষতস্থান অল্প থাকতেই চিকিৎসা করা নববী সুন্নাহ ৷ তাই রাসুল ( সঃ) চরম শত্রুকে ক্ষমা করে দিয়ে দ্বীনের দরদে ভালবেসে বুকে টেনে উত্তম আদর্শের মাধ্যমে জয় করলেন ইসলামী সভ্যতাকে ৷ রাসুলের এই আদর্শকে আপনি সাহাবীদের রক্তের সাথে মুনাফেকি কিংবা গাদ্দারী ভাবলে আল্লামা শফি' র আচরনকে মুনাফেকি বলা আপনার জন্য কোন ব্যাপার না ?!
মনে রাখবেন! শত্রুর সাথে বার বার উত্তম আচরন করলে শত্রু বন্ধুতে পরিনত হয় ,
ইতিহাস সাক্ষ্য ,শত্রুকে ক্ষমা করলে ওমর ইবনুল খত্তাব "আমীরুল মুমিনীন" হয়ে যায়, আপনি বলবেন এটা তাদের রাজনীতি , কিংবা নির্বাচনী কৌশল, মোল্লারা বুঝছেনা ! আমরা বলব অবশ্যই ! রাজনীতিবিরা রাজনীতি করবেন এটাই তাদের কাজ, কিন্তু তাদের রাজনীতি ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক যেন না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখাই আমাদের কর্তব্য ৷ আপনি বিরুধী দলের কথা মত না চলাকেই হয়ত গাদ্দারী ভাবছেন , কিন্তু আসল কথা হল, প্রকাশ্য শত্রু চিনতে কষ্ট হয়না, তবে বন্ধুশত্রু চিনতে পারা খুবই কষ্টকর ৷‌ তো দৃ‌ষ্টিভ‌ন্গির প‌রিবর্তন ক‌রে হিকমত অবলম্বন ক‌রে দাওয়া হওয়া চাই, ادع الي سبيل ربك بالحكمة والموعظة الحسنة এর শিক্ষায় দাওয়াহ তো নেফা‌কি নয়, বরং রাসু‌লের অাদর্শ‌ে দাওয়াত ও ইসলা‌মের সুন্দর্য প্রকাশ করার মহুর্ত ও ব‌টে!
( এ কথাগুলো বিভিন্ন হাদীসের সারনির্যাস)
আব্দুল্লাহ মোঃ ইউসুফ
উচ্চতর হাদীস গবেষণা বিভাগ
দারুল উলুম হাটহাজারী, চট্টগ্রাম ৷ সং‌যোজক মাওঃ অাবু নাঈম কাশফী!

নিন্দুকরা নিপাতজাক, আল্লামা আহমদ শফী জিন্দাবাদ


নিন্দুকরা নিপাতজাক, আল্লামা আহমদ শফী জিন্দাবাদ

যারা আল্লামা শফি সাহেবকে নিয়ে কয়েকদিন থেকে ফেইজবুকে সমালোচনার ঝড় তুলছেন তাদের কাছে আমার কিছু প্রশ্ন; আশা করি বিবেক থেকে উত্তর দেবেন!!!!!
.
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি হুজুরের কাছে গিয়েছিলেন নাকি হুজুর মন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলেন? আপনার উত্তর যদি হয় মন্ত্রীই দোয়ার জন্য গিয়েছিলেন। তাহলে দেশের একজন মন্ত্রীর জন্য দরজা বন্ধ করে দেয়া কি কারো জন্য শোভনীয়? মন্ত্রীতো দূরে থাক আপনার এলাকার এমপিও যদি আপনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করতে চায় তাহলে না বলে দেয়া কি খুব যৌক্তিক হবে অথবা ভদ্রতা হবে?????
.
হুজুর দোয়া করেছেন তা ঠিক, কিন্তু কি দোয়া করেছেন তা কি জানেন? কাল্পনিকভাবে ধরে নিলাম- হুজুর দোয়া করেছেন দেশের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য এবং মুসলিমদের ঈমান, আমল হেফাজতের জন্য, দেশের খায়র, বরকতের জন্য। এই টাইপের দোয়াই হুজুরের জন্য স্বাভাবিক। তাই কাল্পনিক হিসাবে ধরে নিলাম।
.
আপনি যেটা নিয়ে ক্ষুদ্ধ, সেই দোয়া হুজুর করবেনা। যেমন, হে পরোয়ার দিগার.. শাপলা চত্বরে যারা নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল, যারা দেশের কোটিকোটি টাকা লুট করেছে, গুম-খুন করে মা'য়ের বুক খালি করছে, নাস্তিক-খোদাদ্রোহীদের পৃষ্ঠপোষণ করছে তাদের বিজয়ী করে দাও! এই দোয়া করেনি তা শতভাগ নিশ্চিত। হুজুরের ব্যাপারে নেগেটিভ চিন্তা থেকে আমাদের সকলের বিরত থাকা উচিৎ। কারো হেদায়তের জন্য দোয়াই স্বাভাবিক তা'হলে আহমদ শফি হুজুরের সমালোচনা করা কি আআসলেই যৌক্তক???এই সমালোচনা আমাদের মধ্যে তথা ইসলামী দলগুলোর মধ্যে বিভেদ আরো বাড়িয়ে তুলছে।আসুন,,,,বিভেদের পর্দা দূরে সরিয়ে আমরা একতাবদ্ধ হই।ঐকতানের গান গাই।নিজেদের মধ্যে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস বাড়াই!!!!!

এবং জামাত শিবির কর্মীদের বলছি আল্লাহ ওয়ালাদের বিরোধী করে করেতো ধংস হয়েছেন, এখনো টাইম আছে ভালো হওয়ার তাই সাবধান আল্লার ওলীদের বিরোধীতা থেকে!!!

অাসুন অাটরশী ভন্ড পীরের ভন্ডামী জানি

https://www.facebook.com/zahidbd24
অাসুন অাটরশী ভন্ড পীরের ভন্ডামী জানি


অাসুন অাটরশী ভন্ড পীরের ভন্ডামী জানি ,কথিত পীর নামধারী বিশ্বওলি খাজাবাবা ফরিদপুরী নামক অাটরশী পিরের ভ্রান্ত অাকিদ্বা অামরা অনেকই জানি না। অনেকে অামাকে প্রশ্ন ও করেছেন যে অাটরশী পীরের সম্পর্কে কিছু বলুন। অাসুন তাদের বইগুলি থেকে তাদের ভ্রান্ত অাকিদ্বা গুলি জানি
★ অাটরশী পীর সাহেব বলেন, অামাকে অামার পীর এনায়েতপুরী সাহেব বলেন বাবা তোর ভাল মন্দ সব অামার হাতে। তোর কোন ধরনের চিন্তা নেই (নাউযু্বিল্লাহ) প্রমান : ফরিদপুরী সাহেবের নসিহত ৩/১১।
★ অাটরশী পীর বলেন দুনিয়াতে সব ধরনের বিপদ অাপদ হয়তে রক্ষা করিবার ক্ষমতা পীর হাতে : নাউযু্বিল্লাহ /

প্রমান - হযরত ফরিদপুরী সাহেবের নসিহত ৬/ ৩৬ পৃষ্টা।
★ অাটরশী পীরের অাকিদ্বা মতে পরকালে মুক্তি পাবার জন্য ইসলাম ধর্ম গ্রহন করার দরকার নেই। যে কোন ধর্ম থেকেই মুক্তি পাওয়া সম্ভব / নাউযুবিল্লাহ
প্রমান : তাসাউফও তত্ত্বপর্ব - ১৪৭ পৃষ্টা।
★ তাদের মতে কবরে তাদের পীর অাগমন করে তাদেরকে তালিম দিবেন যাতে হাশরের মাঠে তারা পার পেয়ে যান ( নাউযুবিল্লাহ)
এছাড়া তাদের অনেক ভ্রান্ত অাকিদ্বা রয়েছে যা পরবর্তি তে লেখবো ইনশাআল্লাহ
অাল্লাহ র কাছে পানাহ চায় সমস্ত মুসলমানদের জন্য এসমস্ত বদ নিকৃষ্ট ভন্ড পথভ্রষ্ট পীরদের কাছ থেকে

শেষ অবধি আপনি জিতেছিলেন

বিজ্ঞানই বলেছে একজন প্রাপ্ত বয়স্ক সুস্থ্য পুরুষ একবার সহবাসে যে পরিমান বির্য নির্গত করে তাতে ২০-৩০ কোটি
স্পার্ম নির্গত হয়,( স্থান পেলে ২০-৩০ কোটি বাচ্ছা তৈরি হতো) এই ২০-৩০ কোটি স্পার্ম, মায়ের ওভামের দিকে পাগলের মত ছুটতে ছুটতে পৌঁছায় ৩০০-৫০০ মাত্র, আর বাকিরা এই "ছুটে চলার" দৌড়ে ক্লান্ত, শ্রান্ত অথবা পরাজিত হয়ে মারা যায়,
বিলীন হয়ে যায়।
এই ৩০০-৫০০ স্পার্ম,
যেগুলো ডিম্বানুর কাছে যেতে পেরেছে
তাদের মধ্যে মাত্র একটি,মহা শক্তিশালী স্পার্ম ডিম্বানুকে ফার্টিলাইজ করে অথবা ডিম্বানুতে আসন গ্রহন করে,
সেই ভাগ্যবান স্পার্মটি হচ্ছেন আপনি কিংবা আমি-অথবা আমরা সবাই
কখনও কি এই মহাযুদ্ধের কথা মাথায় এনেছেন?
আপনি তখন দৌড়েছিলেন,
যখন আপনার চোখ,হাত পা মাথা ছিল না! তবু আপনি জিতেছিলেন।
আপনি তখন দৌড়েছিলেন, যখন আপনার কোন সার্টিফিকেট ছিল না! মস্তিষ্ক ছিল না, তবুও আপনি জিতেছিলেন।
আপনি তখন দৌড়েছিলেন, যখন আপনার কোন শিক্ষা ছিল না, দৌড়েছিলেন কারও সাহায্য ছাড়া, শুধু ছিলেন মহান আল্লাহতালা এবং আপনি জিতেছিলেন।
আপনি তখন দৌড়ছিলেন,যখন আপনার একটি গন্তব্য ছিল এবং সেই গন্তব্যের দিকে উদ্দেশ্য ঠিক রেখে একা একাগ্র চিত্তে দৌড়িয়ে ছিলেন এবং
শেষ অবধি আপনি জিতেছিলেন।
.
.
আর আজ!
আপনি কিছু একটা হলেই ঘাবড়ে যান, নিরাশ হয়ে পড়েন, কিন্তু কেন? কেন আপনি আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন।
এখন আপনার
বন্ধু বান্ধব, ভাই বোন , সার্টিফিকেট
সবকিছু আছে। হাত-পা আছে, শিক্ষা আছে, প্ল্যান করার মস্তিষ্ক আছে, সাহায্য করার মানুষ আছে, তবুও আপনি আশা হারিয়ে আশা ছেড়ে নিরাশায় দুলছেন।
.
.
যখন আপনি জীবনের প্রথম দিনে হার মানেন নি, ৩০ কোটি স্পার্মের সাথে মরণপণ যুদ্ধ করে ক্রমাগত দৌড় প্রতিযোগিতায় কোন কিছুর অবলম্বন ছাড়া শুধু একা একাই জিতেছেন।
.
.
সেখানে আজ!
আপনি কেন হারবেন?
কেন হার মানবেন?
আল্লাহর উপর ভরসা রাখুন
আপনি শুরুতে জিতেছেন,
শেষে জিতেছেন, মাঝপথেও আপনি জিতবেন।ইনশাল্লাহ.....
সবচাইতে বেশী কি চান?
মূল্য দিন, বিরামহীন লেগে থাকুন- আপনি জিতবেন।।।
কারন, (#আপনার_জন্ম_সৃষ্টির_লক্ষেই)।
এগিয়ে চলুন!
কালেক্ট : ফ্রেন্ড উয়াল

এক টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করা টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর প্রথম ব্যাটসম্যানরা

এক টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করা টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর প্রথম ব্যাটসম্যানরা

এক টেস্টের দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করা টেস্ট খেলুড়ে দেশগুলোর প্রথম ব্যাটসম্যানরা:
অস্ট্রেলিয়া- ওয়ারেন বার্ডসলে ১৩৬ ও ১৩০ বনাম ইংল্যান্ড, দি ওভাল, ১৯০৯
ইংল্যান্ড- জ্যাক রাসেল ১৪০ ও ১১১ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, ডারবান, ১৯২৩
ওয়েস্ট ইন্ডিজ- জর্জ হেডলি ১১৪ ও ১১২ বনাম ইংল্যান্ড, জর্জটাউন, ১৯৩০
দক্ষিণ আফ্রিকা- অ্যালান মেলভিল ১৮৯ ও ১০৪* বনাম ইংল্যান্ড, নটিংহ্যাম, ১৯৪৭
ভারত- বিজয় হাজারে ১১৬ ও ১৪৫ বনাম অস্ট্রেলিয়া, অ্যাডিলেড, ১৯৪৮
পাকিস্তান- হানিফ মোহাম্মদ ১১১ ও ১০৪ বনাম ইংল্যান্ড, ঢাকা, ১৯৬২
নিউজিল্যান্ড- গ্লেন টার্নার ১০১ ও ১১০* বনাম অস্ট্রেলিয়া, ক্রাইস্টচার্চ, ১৯৭৪
শ্রীলঙ্কা- দুলিপ মেন্ডিস ১০৫ ও ১০৫ বনাম ভারত, চেন্নাই, ১৯৮২
জিম্বাবুয়ে- গ্র‍্যান্ট ফ্লাওয়ার ১০৪ ও ১৫১ বনাম নিউজিল্যান্ড, হারারে, ১৯৯৭
বাংলাদেশ- মুমিনুল হক ১৭৬ ও ১০৫ বনাম শ্রীলঙ্কা, চট্টগ্রাম, ২০১৮
এই তালিকায় প্রথম নয়জনের মধ্যে বিজয় হাজারে ছাড়া আর কেউই ওই ম্যাচগুলোতে পরাজিত হননি।

আমি কাউকে ছোট করছি না, ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন সবাই, সবার কাছে অনুরোধ রইলো । হিন্দু ভাইয়েরা মন খারাপ করবেন না।।

আমি কাউকে ছোট করছি না, ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন সবাই, সবার কাছে অনুরোধ রইলো । হিন্দু ভাইয়েরা মন খারাপ করবেন না।।

আমি কাউকে ছোট করছি না, ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন সবাই, সবার কাছে অনুরোধ রইলো ।
হিন্দু ভাইয়েরা মন খারাপ করবেন না।।
আমি শুধু জানতে চাই....?
রিগবেদ
অধ্যায়-৩, খন্ড-৩১, শ্লোক: ১-২ ‘‘পিতা তার মেয়ের সাথে অশ্লীলকর্মেলিপ্ত’  ’- এছাড়া মা- ছেলে দূষ্কর্ম,এমন বিশ্রি বনর্না যেই গ্রন্থে তা কিকরে সৃষ্টিকর্তার বানী হতে পারে ?
শিব ৬০,০০০ বিবাহ করেছিল সে  মারা যাবার পর তার লিঙ্গকে পূজা করা হয়একজন শিষ্টাচার হিন্দু কোন যুক্তিকতায়তার স্ত্রীর দুধ দিয়ে শিবেরগোপন অঙ্গ ধৌত করে? এটা কি সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য? 
এমন কুরুচিপূর্নআদেশ সৃষ্টিকর্তা দিতে পারেন ?
শিব তার নিজের ছেলে গনেশ কে
িচনতে পারেনি গর্দান কেটে ফেলেছিলেন তাহলে তিনি তারসৃষ্টিকে কি করে চিনবেন?
 ভুলে যাওয়া কি সৃষ্টিকর্তার বৈশিষ্ট্য ?
দেবদাসীর ও যোগিনীর মত পতিতাচরিত্রের সাথে ভগবান ওব্রাহ্মনগন কিকরে অশ্লীলকর্মে লিপ্ত হন? 
যদি তারাপ্রকৃতার্থে ভগবান হয়ে থাকেন। অশ্লীল ভঙ্গিমায় উলঙ্গ নারী, মুখে ও দাতেঁ রক্ত ও হাতে রক্তাক্ত তলোয়ারকি করে সৃষ্টিকর্তা হতে পারে ?
উদাহরন- দূর্গা কৃষ্ণা যদি সৃষ্টিকর্তা হয় তবে সে কেন তার মামীর সাথে অবৈধ সম্পর্ক রাখলো? 
তবে কি সৃষ্টিকর্তা মানুষের সাথে এমন অবৈধ কর্মে লিপ্ত হয় যা তার নিজেরাই আইনের বর্হিভূত ?
কিভাবে রাম সৃষ্টিকর্তা হতে পারে কারন সে প্রয়োজনে খাবার খেয়েছে, ঘুম গেছে, বিয়ে করেছে দৈহিক তারনায়, রাম নিজের স্ত্রীকে সন্দেহ করেছে এসব কি সৃষ্টিকতার কর্ম ?
যদি রাম সৃষ্টিকর্তাই হন কেন তিনি হনুমানের সাহায্য চাইবেন? 
তাহলে কি সৃষ্টিকর্তার ক্ষমতার কমতি আছে ?
রাম হনুমানের দু’ভাইকে কেন অকারনে খুন করলেন যেখানে রামের সাথে তাদের কোন শত্রুতা ছিলনা ?
সৃষ্টিকর্তা হয়ে অপরাধ করা কি সম্ভব ?
রাবন যদি শয়তান হয়ে একদিনে লঙ্কায় পৌছাঁতে পারে তবে রাম সৃষ্টিকর্তা হয়ে কেন ১২ বছর লাগলো
তাও আবার হনুমানের সাহায্যে?
শয়তানের শক্তি সৃষ্টির্কতা হতে কিকরে বেশি হওয়া সম্ভব ?
কৃষ্ণা একজন সৃষ্টিকর্তা হয়ে কিভাবে নারীদের স্নানরত দৃশ্য উপভোগ করেন ও তাদের পোষাক লুকিয়ে রেখে দেন ?
গরু হিন্দুদের মা,গরুর পেট থেকে তো গরুর বাচ্চা হয় মানুষের বাচ্চা তো হয়না তাহলে গরু কি করে মানুষের মা হয় ?
গরু তাদের মা, তাই তারা দুধ খায়,গোশত খায়না। অথচ ঐ মায়ের চামড়া দিয়ে জুতা বানিয়ে তা পায়ে দেয়। কেনো মায়ের এই অমর্যাদা ?
গরুর চামড়ার ঢোল না পিটালে তাদের পূজা হয়না, গরুকে হত্মা করে তার চামড়া দিয়ে ঢোল বানাতে হয়। কেনো মায়ের এই পরিনতি ?
#___সংগ্রহীত__পোস্ট

Thursday, 1 February 2018

ম্যাগাজিন বই নিয়ে কিছু কথা | স্বপ্নবাজ শফি | Something about the magazine book | By Rajibpur News

   
 ম্যাগাজিন বই নিয়ে কিছু কথা || স্বপ্নবাজ শফি | | By Rajibpur News

প্রিয় রাজিবপুর বাসী,
আসসালামু আলাইকুম......সবাই কে
https://www.facebook.com/groups/1704600509803133/

স্বপ্নীল রাজিবপুরেরপক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
আল্লাহ তায়ালা প্রত্যেক মানুষ কে সমান মেধা ও জ্ঞান দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু পরিবেশ- পরিস্থিতি ও সুযোগ সুবিধার অভাবে অনেক শিশুরই সেই মেধা বিকশিত না হয়ে অকালে ঝরে যায়।
আবার, বাঙ্গালী হয়েও বাংলা ভাষা ও বাংলা সংস্কৃতি থেকে দুরে সরে অপসংস্কৃতিতে নিমজ্জিত হচ্ছে আমাদের তরুন সমাজ।
https://www.facebook.com/groups/1704600509803133/
আমাদের রাজিবপুরে অনেক মেধাবী মুখ আছে,যাদের মাঝে অনেক সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে।তাদের কাছ থেকে আমরা অনেক ভালো ভালো লেখা পাই....কিন্তু সেটা কিছু দিনের মধ্যেই হারিয়ে যায়। বড় জোর ফেসবুকে কিছুদিন আলোচনা... তারপরই থেমে যায়।
এই সব দিক বিবেচনায়( স্বপ্নীল রাজিবপুর) রাজিবপুরের তরুন সমাজের জন্য একটি প্লাটফর্ম তৈরী করতে যাচ্ছে, যার মাধ্যমে প্রত্যেকটি তরুন মেধার বিকাশ সাধন এবং সেই সাথে বাংলা ভাষা ও বাঙ্গালী সংস্কৃতি নিয়ে চর্চা করার সুযোগ পাবে।
আমরা সবার লেখা সংগ্রহ করে..... প্রতিটি দিবস কেন্দ্রীক ম্যাগাজিন বই বের করবো ইনশাআল্লাহ।
এবং ম্যাগাজিন বইটি প্রিন্ট কপি সহ.... PDF file.. Android apps মধ্যে নিয়ে আসবো...
https://www.facebook.com/groups/1704600509803133/




যাতে সবাই সহজে রিসিভ করতে পারে।
তাই সবাই কে..... লেখা জমা দেওয়ার জন্য বিশেষ ভাবে আহবান করা হলো।



 লেখা জমা দেওয়ার ঠিকানা :
FB:স্বপ্নবাজ শফি
Email: shapnobajshofi@gmail.com
মোবাইল: স্বপ্নবাজ শফি: 01760606204/01621662000
জাহিদুল ইসলাম
FB:zahidbd24
Email:mdzahidulislam1000@gmail.com
মোবাইল :01948645226