Sunday, 4 February 2018

আরো একটি নববী আদর্শ কে জিন্দা করলেন আল্লামা আহমদ শফি দাঃবাঃ ও নানুপুরী হুজুর


আরো একটি নববী আদর্শ কে জিন্দা করলেন আল্লামা আহমদ শফি দাঃবাঃ ও নানুপুরী হুজুর
যারা ইসলামের বিরুধীতা করে তাদেরকে দ্বীনের দরদে কাছে না টানলে কিংবা তারা আসতে চাইলে সুযোগ না দিলে ,তারা আরো দূরে যেতে থাকবে, দূরে যেতে যেতে হয়ে উঠবে আরো জগন্য ইসলাম বিদ্বেষী, যা কখনও কাম্য নয় ৷ ক্ষতস্থান অল্প থাকতেই চিকিৎসা করা নববী সুন্নাহ ৷ তাই রাসুল ( সঃ) চরম শত্রুকে ক্ষমা করে দিয়ে দ্বীনের দরদে ভালবেসে বুকে টেনে উত্তম আদর্শের মাধ্যমে জয় করলেন ইসলামী সভ্যতাকে ৷ রাসুলের এই আদর্শকে আপনি সাহাবীদের রক্তের সাথে মুনাফেকি কিংবা গাদ্দারী ভাবলে আল্লামা শফি' র আচরনকে মুনাফেকি বলা আপনার জন্য কোন ব্যাপার না ?!
মনে রাখবেন! শত্রুর সাথে বার বার উত্তম আচরন করলে শত্রু বন্ধুতে পরিনত হয় ,
ইতিহাস সাক্ষ্য ,শত্রুকে ক্ষমা করলে ওমর ইবনুল খত্তাব "আমীরুল মুমিনীন" হয়ে যায়, আপনি বলবেন এটা তাদের রাজনীতি , কিংবা নির্বাচনী কৌশল, মোল্লারা বুঝছেনা ! আমরা বলব অবশ্যই ! রাজনীতিবিরা রাজনীতি করবেন এটাই তাদের কাজ, কিন্তু তাদের রাজনীতি ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক যেন না হয় সে দিকে লক্ষ্য রাখাই আমাদের কর্তব্য ৷ আপনি বিরুধী দলের কথা মত না চলাকেই হয়ত গাদ্দারী ভাবছেন , কিন্তু আসল কথা হল, প্রকাশ্য শত্রু চিনতে কষ্ট হয়না, তবে বন্ধুশত্রু চিনতে পারা খুবই কষ্টকর ৷‌ তো দৃ‌ষ্টিভ‌ন্গির প‌রিবর্তন ক‌রে হিকমত অবলম্বন ক‌রে দাওয়া হওয়া চাই, ادع الي سبيل ربك بالحكمة والموعظة الحسنة এর শিক্ষায় দাওয়াহ তো নেফা‌কি নয়, বরং রাসু‌লের অাদর্শ‌ে দাওয়াত ও ইসলা‌মের সুন্দর্য প্রকাশ করার মহুর্ত ও ব‌টে!
( এ কথাগুলো বিভিন্ন হাদীসের সারনির্যাস)
আব্দুল্লাহ মোঃ ইউসুফ
উচ্চতর হাদীস গবেষণা বিভাগ
দারুল উলুম হাটহাজারী, চট্টগ্রাম ৷ সং‌যোজক মাওঃ অাবু নাঈম কাশফী!

নিন্দুকরা নিপাতজাক, আল্লামা আহমদ শফী জিন্দাবাদ


নিন্দুকরা নিপাতজাক, আল্লামা আহমদ শফী জিন্দাবাদ

যারা আল্লামা শফি সাহেবকে নিয়ে কয়েকদিন থেকে ফেইজবুকে সমালোচনার ঝড় তুলছেন তাদের কাছে আমার কিছু প্রশ্ন; আশা করি বিবেক থেকে উত্তর দেবেন!!!!!
.
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কি হুজুরের কাছে গিয়েছিলেন নাকি হুজুর মন্ত্রীর কাছে গিয়েছিলেন? আপনার উত্তর যদি হয় মন্ত্রীই দোয়ার জন্য গিয়েছিলেন। তাহলে দেশের একজন মন্ত্রীর জন্য দরজা বন্ধ করে দেয়া কি কারো জন্য শোভনীয়? মন্ত্রীতো দূরে থাক আপনার এলাকার এমপিও যদি আপনার সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করতে চায় তাহলে না বলে দেয়া কি খুব যৌক্তিক হবে অথবা ভদ্রতা হবে?????
.
হুজুর দোয়া করেছেন তা ঠিক, কিন্তু কি দোয়া করেছেন তা কি জানেন? কাল্পনিকভাবে ধরে নিলাম- হুজুর দোয়া করেছেন দেশের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য এবং মুসলিমদের ঈমান, আমল হেফাজতের জন্য, দেশের খায়র, বরকতের জন্য। এই টাইপের দোয়াই হুজুরের জন্য স্বাভাবিক। তাই কাল্পনিক হিসাবে ধরে নিলাম।
.
আপনি যেটা নিয়ে ক্ষুদ্ধ, সেই দোয়া হুজুর করবেনা। যেমন, হে পরোয়ার দিগার.. শাপলা চত্বরে যারা নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছিল, যারা দেশের কোটিকোটি টাকা লুট করেছে, গুম-খুন করে মা'য়ের বুক খালি করছে, নাস্তিক-খোদাদ্রোহীদের পৃষ্ঠপোষণ করছে তাদের বিজয়ী করে দাও! এই দোয়া করেনি তা শতভাগ নিশ্চিত। হুজুরের ব্যাপারে নেগেটিভ চিন্তা থেকে আমাদের সকলের বিরত থাকা উচিৎ। কারো হেদায়তের জন্য দোয়াই স্বাভাবিক তা'হলে আহমদ শফি হুজুরের সমালোচনা করা কি আআসলেই যৌক্তক???এই সমালোচনা আমাদের মধ্যে তথা ইসলামী দলগুলোর মধ্যে বিভেদ আরো বাড়িয়ে তুলছে।আসুন,,,,বিভেদের পর্দা দূরে সরিয়ে আমরা একতাবদ্ধ হই।ঐকতানের গান গাই।নিজেদের মধ্যে শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস বাড়াই!!!!!

এবং জামাত শিবির কর্মীদের বলছি আল্লাহ ওয়ালাদের বিরোধী করে করেতো ধংস হয়েছেন, এখনো টাইম আছে ভালো হওয়ার তাই সাবধান আল্লার ওলীদের বিরোধীতা থেকে!!!

No comments:

Post a Comment